রবীন্দ্রনাথ ছিলেন এক মুসলিম বিদ্বেষী হিন্দু। বাপ-দাদার পতিত ব্যবসার অর্থে জমিদার সেজে বসে ছিলেন। দরিদ্র নজরুলকে কিছু টাকার বিনিয়মে বোকা বানিয়ে তাকে দিয়ে বেশিরভাগ লেখা লেখিয়ে নিতেন। এক সময় যখন নজরুল বুঝে উঠলেন তাকে বোকা বানানো হচ্ছে সে রবীন্দ্রনাথকে লেখা দেয়া বন্ধ করে দেয়। রবীন্দ্রনাথ বিপদ বুঝতে পেরে নজরুলের সব কথা মেনে নেয়ার ভং ধরে তার মেয়ে প্রমিলা দেবীর প্রেমে ফেলে রবীন্দ্রনাথকে। মেয়ের প্রেম জানার পরেও যখন দেখে বাবা রবীন্দ্রনাথ কিছু বলছে না তখন নজরুল আবার রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বাস করা শুরু করে। দরিদ্র নজরুলের কোন টেলিফোন ছিলো না, তাই সে প্রেমিকার বাড়ির টেলিফোন দিতো সব জায়গায়। নোবেল কমিটি সেই নাম্বারে ফোন দিলে রবীন্দ্রনাথ সেই ফোন রিসিভ করে সব জানতে পেরে তার বাপ দাদার পতিত ব্যবসার টাকা দিয়ে সেই নোবেল থেকে নজরুলের নাম কেটে নিজের নাম বসায়। আর এই তথ্য যেন নজরুল জানতে না পারে তাই রবী তার মেয়ে প্রমিলাকে দিকে গোপনে কাকের মাংস খাইয়ে পাগল করে ফেলে নজরুল কে। এভাবেই হারিয়ে যায় আমাদের নক্ষত্র মুসলিম কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আর নোবেল পায় হিন্দু রবীন্দ্রনাথ।

0 মন্তব্যসমূহ