- স্বামী! সে যেই হোক যেমনই হোক সে আমার স্বামী। আমার জীবনে এই একটা মানুষ ছাড়া কাউকে নিয়ে আমার বিন্দু পরিমান মাথা ব্যথা নেই থাকাটা দরকার ও মনে করিনা আমি😊।


- আমার কারো ভালোবাসা বা হিংসা বা রাগ কিছুই গায়ে লাগেনা আমার স্বামীর সামান্য উচু গলায় ও আমি কান্না করি সামান্য মন খারাপ দেখলেও আমার চিন্তা হয়,কিন্তু এই অনুভূতি আমার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যর জন্যে আসেনা।এতে আমি অন্যায় কিছু মনে করিনা আমার কবুল বলার পর থেকে সেই আমার দুনিয়া সে ব্যতিত কারো পরোয়া করার সময় আমার নেই।


- আমার স্বামীকে ঘিরেই আমার সবকিছু এতে আমি কাউকে কৈফিয়ত দেয়ার প্রয়োজন মনে করিনা।আমি আমাদের সম্পর্কের ভিতর যাই হোক অন্য কারো হস্তক্ষেপ একদমই পছন্দ করিনা। 


- আমি কখনো আমার স্বামীর কাছে স্বাধীনতা চাই না কারণ  এখনকার যুগে স্বাধীনতা মানে অশ্লীলতা তাছাড়া আর কিছুনা।আমি চাই সে আমাকে ফলো করুক আমার সোশাল সাইড এর সব পাসওয়ার্ড তার কাছে থাকুক সে দেখুক তার স্ত্রী ভুল পথে চলে যায় কিনা।আমি কোথাও গেলে খোজ নিক কার সাথে গেছি কই গেছি। স্বামী তো আমার চরিত্রের রক্ষাকারী তার অধিকার সে আমাকে শয়তানের ফিতনা থেকে রক্ষা করুক। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রাইভেসি আবার কি জিনিস ভাই! 


- আমারে বলুক মানুষ আমি স্বামীরে ছাড়া কিছুই বুঝি না। আমার বোঝার দরকার ও নাই। স্বামী আমার স্বাধীনতা স্বামী ই আমার ঘর বাড়ি এতে আমার সন্মানে আঘাত লাগবেনা একটুও।আমার ইনডিপেনডেন্ট নারী হওয়ার কোন শখ নাই স্বামীর যথেষ্ট সামর্থ থাকলে আমার দরকার নাই সন্মান বাড়াইতে ইনডিপেনডেন্ট হওয়া। আমার স্বামীর যা সবই আমার সর্বপ্রথম হক আমার তার সবকিছুর উপর তাহলে আমার স্বামীর উপর নির্ভর করতে আমার সন্মানে কেন লাগবে।সরি ব্রো আমি এই নারীবাদী আজাইরা মনোভাবের কপালে ঝাড়ু মারি। আমার স্বামী আছে আমার কোনরকম আকাইম্মা স্বাধীনতা দরকার পড়েনা আকাইম্মা সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট হওয়ার দরকার পড়েনা।


- অনেকে বলবেন লাভ ম্যারেজ হইছে এজন্যএতো কথা।ভাই আমার যদি সজ্ঞানে আমার শত্রুর সাথেও বিয়া হইতো তাইলেও এই একই বলতাম। স্বামীর উপরে দুনিয়ায় কিছু নাই। এখন বলতে পারেন স্বামীর এতো ভক্ত তাইলে ঝগড়া কেমনে হয়! ঝগড়া বা রাগ অভিমান এগুলো কি তাহলে রাস্তার পুরুষের সাথে করব। সেটা করা যায় না নিজের স্বামী ছাড়া অন্য কারো সাথে।


- আমার স্বামী আমার স্বাধীনতা আমার অভিমান আবার আমারই ভালোবাসা😇


- প্রতিটি মেয়ে যদি এইভাবে ভাবতো তাহলে আমাদের সমাজে কোন পরকীয়া থাকত না ,সংসারে কোন ঝগড়া ঝামেলা এগুলো কিছুই থাকত না,তাহলে তাদের সংসার হতো সুখের এবং আনন্দের ,আল্লাহ যেন প্রতিটি মেয়ের মনে এরকম চিন্তা ভাবনা করে দেন।





বের হচ্ছিলাম বাড়ী থেকে, এমন সময়
বাবা বললো 'তোমার কাছে কি ১০০ টাকা হবে?'

হঠাৎ কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো, 
বাবার দিকে তাকিয়ে মনে পড়ে গেল সেই ক্লাস টু'র একটি কথা।

বাবাকে বলেছিলাম 'বাবা ২ টাকা দেবে?'

বাবা 'কেন? কি করবে ২ টাকা দিয়ে?'

আমিঃ আইসক্রিম খাবো। (তখন এক টাকায় ৪ টা রঙিন আইসক্রিম অথবা ২ টা বরফের সাথে নারকেল দেয়া আইসক্রিম পাওয়া যেত)।

বাবা ২ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা দিয়েছিল।।

বাবা-মা আসলে বড় অদ্ভুত ক্যারেকটার, তারা সারাজীবন চেষ্টা করেছেন তাদের সর্বোচ্চটা আমাদের জন্য করার।

সময় কতটা দ্রুত চলে যায়, আজ বাবা
অবসরপ্রাপ্ত। কেন যেন খুব কান্না পেলো, জানি না।

আমার ব‌উ কথাটা শুনতে পেয়ে, আমার ওয়ালেট হাতড়ে ১০০ টাকা রেখে যা ছিল সবটা বাবাকে দিয়ে দিল।

বাবাঃ আরে পাগলী, এত টাকা দিয়ে আমি কি
করবো?

ব‌উ:- বাইরে যান, আপনার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, যা খুশী কিনে খাবেন,, আর কি..

ব‌উয়ের এই কথা শুনে, আর কারো দিকে না তাকিয়ে হাঁটা শুরু করলাম, নিজের চোখের জল লুকোতে।

আপনজনের জন্য সময়মতো কিছু করতে না পারলে কিসের চাকরী, কিসের ব্যবসা, কিসের প্রাচুর্য, এসব দিয়ে কি হবে!  সবই তো ক্ষণস্থায়ী।

আমি মনে করি আমার বলে কিছু নেই, সব সাময়িকভাবে আমাকে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে ওপরওয়ালা। সবকিছুই ঠিকঠাক রয়ে যায়, থাকে না শুধু মানুষগুলো.. বাস্তবতাシ︎