বিয়ের সময় পাত্র পক্ষের একটাই দাবি ছিল মেয়ের চাকরি করা চলবে না। ভূগোল নিয়ে মাস্টার্স করা বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে 'অনামিকা' প্রথমে রাজি না হলেও বাবা মায়ের চাপে শেষমেশ রাজি হয়। বনেদি পরিবার, ছেলের ভাল ব্যবসা। টাকা পয়সার অভাব নেই। বিয়ের দুএকটা বছর ঘুরতে না ঘুরতেই স্বামীর কাপড়ের দোকানে আগুন লেগে বহু ক্ষয়ক্ষতি হল। প্রায় পথে বসার মত অবস্থা। 'আমার তো খুব করুন অবস্থা, তুমি একটু চাকরি বাকরির চেষ্টা করে দেখ না ব্যবসাটাকে দাঁড় করানো যায় কিনা', বলেছিল অনামিকার স্বামী অনিকেত।
দু'বছরের মধ্যে একটা চাকরিও পেয়ে যায় সে। অনামিকা যখন অফিসে যায় ছোট্ট মেয়ে তিথি থাকে দাদু ঠাকুমার কাছে। বছর তিনেকের মধ্যে অনিকেতের ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়ায়।
রাত্রি বেলায় একদিন অনিকেত অনামিকাকে কাছে টেনে নিয়ে বলে, 'এবার চাকরিটা ছেড়ে দাও। কি দরকার আর। তিথিকে মানুষকরো। আমার ব্যবসাটা তো দাঁড়িয়ে গেছে।'
'আমি তোমার প্রোগ্রামিং করা রোবট নয় যে তোমার সব কথা শুনতে হবে'।
:::::::::::



লেখা: সংগহীত।
পাঠে: রুম্পা বিশ্বাস।

0 মন্তব্যসমূহ