স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া
স্বামী: আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম
গাছে মৌ, আগে জানলে আনতাম না ঘরে
এমন ঝগড়াটে বৌ।🤨😐
স্ত্রী: নোটন নোটন পায়রা গুলি ঝোটন
বেঁধেছে, আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে
বলেছে?🫡
স্বামী: ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের
গাঁ, বিয়ের আগে লক্ষী মেয়ে কিছুই চাইতো
না।😌
স্ত্রী: হাড় কিপটে।🙁
স্বামী: আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল
তুলিতে যাই, বিয়ের পরে এখন শুধু করে খাই
খাই।🫤
স্ত্রী: ছিপখান তিন দাঁড় তিনজন মাল্লা, কি
আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।🥺
স্বামী: ভোর হলো দোর খোলো খুকুমনি
উঠোরে, ভাল যদি না লাগে বাপের বাড়ি
ছোটরে।😐
স্ত্রী: আগডুম বাগডুম ঘড়ারডুম সাঁজে, আগে
বুঝি নাই তুমি এত বাজে।😡
স্বামী: আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ধান দেবো মেপে,
আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে।😈
স্ত্রী: আগে কি বলতে মনে আছে? পূরণ করবো
তোমার মনের সাধ, আকাশ থেকে এনে দিমু
চাঁদ, এখন বাজার থেকে শাড়ি আনাও বাদ।
কে জানতো আগে, প্রেমে এত খাঁদ😕😕।
কোনটা বেস্ট ছিলো 🤣🤣🤣
মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে নীল লেখায় চাপ দিয়ে নতুন গল্পের পেজটা ফলো করুন। #funny
Psychopath //
আমার চার-পাশের মানুষদের জন্য এটা খুবই বিরক্তিকর বিষয় যে -আমাকে মিথ্যে বলে তারা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অনুতপ্তবোধ করতে শুরু করে।যদিও এটা তাঁদের অনিচ্ছায় ঘটে। এর পেছনের কারণটি হলো -আমার প্রায় অর্ধ যুগের মায়াজম গবেষণা। একজন মানুষ যখন মিথ্যে বলে তখন তার চোখ ও মুখের স্নায়ু তা আমাকে প্রদর্শন করে।
বলতেই হয়,, জীবন চলার পথে আমি খুব অদ্ভুতুড়ে স্বভাবের অনেক মানুষের সান্নিধ্যে এসেছি, যারা সম্পূর্ণ অকারণে যার তার সাথে ডাহা মিথ্যা কথা বলে বেড়ায়। একদম নাটক সিনেমার কল্পকাহিনির মতো মিথ্যা বলে এরা। যেমন: আপনাকে এসে বলবে যে 'অমুক' আপনার নামে এই সেই কথা বলে বেড়াচ্ছে। আসলে গিয়ে দেখবেন 'অমুক' আপনাকে চেনেই না! চিনলেও আপনার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধাবোধ। সে সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে কখনোই আপনার সম্পর্কে কোথাও কোনো কথা বলেনি। খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে আপনাকে 'অমুক'এর নামে কানপড়া দিচ্ছে, নাটের গুরু মূলত সে-ই! যেই কথাগুলো বলা হয়েছে সেগুলো তারই বানানো এবং সেই এগুলো যত্রতত্র ছড়াচ্ছে।
গ্রামের ভাষায় এরকম বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা বলে এর সাথে ওর ঝামেলা বাঁধানো লোকজনকে বলা হয় গুটি (গুটিবাজ)! ইংরেজরা আবার এই গুটিবাজদের জন্য একটা খুব চমৎকার টার্ম ব্যবহার করে: Pathological Liar বা সংক্ষেপে Psychopath. এটা এক ধরনের মানসিক সমস্যা এবং এই সমস্যা আপনার আশেপাশে যেকারো থাকতে পারে।
এই মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি কখনো কখনো নিজের বানানো মিথ্যেকে সত্যি ভাবতে শুরু করে। আর এই কারণেই এদের মিথ্যা আলাদা করে ধরা যায় না। এসব বানোয়াট কথাবার্তা বলার পেছনে এদের নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য যেমন থাকতে পারে, ঠিক তেমনি কোনো উদ্দেশ্যবিহীনভাবেও কেবল স্বভাব বশত এরা এসব মিথ্যে বলতে পারে।
খেয়াল করলে দেখবেন, আমাদের আশেপাশে এরকম প্রচুর মানুষ আছে যারা সবসময় সবকিছু নিয়ে অভিযোগ করতে থাকে। এদের সাথে দশ মিনিট কথা বললেই আপনি বুঝতে পারবেন যে এরা অভিযোগকারী দল। কিন্তু সাইকোপ্যাথদের সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলেও আপনি এদের মিথ্যে ধরতে ব্যর্থ হতে পারেন। অথচ অভিযোগকারী দলের মতো এই সমস্ত 'গুটি'র দলও সব জায়গায় থাকে।
সুতরাং, পরবর্তীতে কারো কথায় মনে কষ্ট পাওয়া, রেগে যাওয়া বা অন্যকারো সাথে সম্পর্ক নষ্ট করার আগে সাবধান থাকবেন। বিশ্বাস করুন আর না করুন, আপনার সবচেয়ে কাছের বন্ধু/জুনিয়র/সিনিয়র/কলিগ/কাছের বা দূরের আত্মীয় যে কেউই এই 'গুটি'র দলের সদস্য হতে পারে।

0 মন্তব্যসমূহ